অধ্যায় ১৬ :
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ–সচেতন রাষ্ট্র
পূর্ববর্তী বিবরণের পর- স্বপ্নিল- হ্যাঁ খুবই ভালো কথা জিজ্ঞাসা করলে। তবে এসংক্রান্ত আমাদের দেশের সামগ্রিক ব্যবস্থাটা খুবই সংক্ষেপে তোমায় আমি বলতে পারব। আমাদের দেশে এসংক্রান্ত ব্যাপারে বেশ পরিকল্পিত একটা ব্যবস্থা আছে। যেমন - যেমন- প্রথমতঃ কেন্দ্রীয়ভাবে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটা বিশেষ কমিটি আছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অধীনে যে কমিটি সরকার এবং অন্যান্য কমিটির মধ্যে সুষ্ঠু যোগাযোগ রক্ষা করে সামগ্রিক কাজকে তরান্বিত করতে নিয়জিত। এছাড়া এসমস্ত কাজের সাথে যারা মাঠপর্যায়ে সরাসরি সম্পৃক্ত তাঁদেরকে সাথে নিয়ে জেলা কমিটি এবং উপজেলা বা থানা পর্যায়ের আলাদা আলাদা কমিটি আছে। এসমস্ত কমিটির উপর এসংক্রান্ত দায়িত্ব অর্পণ করা আছে যারা প্রতিটি কমিটির সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তাঁদের উপর অর্পিত দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালন করে থাকেন। (এসমস্ত কাজ বলতে বুঝাচ্ছি বর্জ্য ও পয়ঃ নিষ্কাশন, পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ এর লাইন টানা যেগুলো মাটির নীচ দিয়ে লাইন করা)
তাছাড়া এসংক্রান্ত কাজের তদারকি করার দায়িত্ব থাকে সংশ্লিষ্ট জেলা কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট জেলার প্রেস ক্লাব সভাপতির তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক কমিটির উপর। উক্ত সাংবাদিক কমিটির বিশেষ প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে উক্ত সংশ্লিষ্ট কর্মীদেরকে বিশেষ পুরষ্কারের ব্যবস্থাও করা হয়।
এছাড়া আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা তোমায় বলে রাখি তা হলো আমাদের দেশে এমন ধরণের ব্যবস্থা করা অর্থাৎ এমন ধরণের পরিকল্পনা বা ছক করা আছে যাতে এসংক্রান্ত সামগ্রীক চিত্র একনজরে দেখা যায় এবং কোথায় কোন সমস্যা দেখা দিলে অতি অল্প সময়ে তার সমাধান করা সম্ভব হয়। তাছাড়া সামগ্রিক বর্জকে একটি সুষ্ঠু নীতিমালা ও পরিকল্পনার আওতায় এনে অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে রূপান্তর করে অন্য একটি ব্যবহার্য উপাদানে পরিবর্তন করা হয়। এক্ষেত্রে সরকারী ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রত্যেকের দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্দিষ্ট করা আছে।
তবে এব্যাপারে বলে রাখি, এপ্রকল্পের সামগ্রিক ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকারের বিশেষ ভর্তূকির ব্যবস্থা যেমন আছে, তেমনি সংশ্লিষ্ট রূপান্তরিত দ্রব্য (যেমন সার) বিক্রয়লব্ধ অর্থ দিয়েও কিছুটা ব্যয় নির্বাহ করা হয়। এই সামগ্রিক প্রক্রিয়াটা খুবই পরিকল্পিত এবং সুষ্ঠুভাবে চক্রাকারে চলতে থাকে যাতে জনসাধারণকে চলাচলে কোন প্রকার বিড়ম্বনার শিকার হতে না হয়।
হৃদয়- বাঃ খুবই চমৎকার তোমাদের পয়ঃ নিষ্কাশন ও বর্জ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সামগ্রিক পদক্ষেপ। যেকোন কাজ যদি নিয়মিত তদারকি করা না হয়, তবে একটা সময় পরে দেখা যায় সেব্যাপারে বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বে অবহেলার কারণে একটু একটু ত্রুটি জমা হতে হতে মূল প্রকল্পটিই এক সময় মুখ থুবড়ে অচল হয়ে পড়ে আছে এবং একজন আরেকজনের উপর দায় চাপিয়ে চুপ করে বসে আছে। মাঝখানে ভোগান্তি যা হবার তাতো সাধারণ জনগণকেই পোহাতে হয়।
তাছাড়া যেকোন প্রকল্পের সাথে অন্যান্য একাধিক প্রকল্প, প্রকল্পের মধ্যকার বিভিন্ন পক্ষ, বিভিন্ন ব্যক্তি তথা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট এবং একটির সাথে একটি অতপ্রতঃভাবে জড়িত তাই নিয়মিত তদারকি থাকার ব্যাপারটা খুবই জরূরী। বাঃ খুবই ভালো লাগল তোমাদের এমন অত্যান্ত সুকঠিন কাজকে বাস্তবে সুষ্ঠুভাবে চালু রাখতে পারছ এটা শুনে।
স্বপ্নিল- হ্যাঁ বন্ধু, তুমি ঠিকই বলেছ অত্যন্ত সুকঠিনই বলতে হয়। তবে আমাদের দেশের সরকার যেমন জনগণের সুবিধা-অসুবিধার কথা গুরুত্বের সাথেই ভাবে, তেমনি বেসরকারি বা ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান গুলোও সরকারের নির্ধারিত নীতিমালাকে যথাযথভাবে অনুসরণ করে বলেই একর্মযজ্ঞটি সুষ্ঠুভাবে করা সম্ভব হচ্ছে।
তাছাড়া মানুষ এখন আর আগের মত নেই। তাঁদের মধ্যে মনুষ্যত্ব জেগে উঠেছে। তাঁদের অন্তরের সততা, ন্যায়পরায়নতা, দায়িত্ববোধ, কর্তব্যবোধ প্রভৃতি উৎকৃষ্ট গুণগুলো বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাঁরা উপলব্ধি করতে শিখেছে এ জগত-সংসার অনিত্য; অন্যায়ভাবে, অবৈধভাবে যত ধন-সম্পদের মালিকই হই না কেন- মহাকালের কাছে তা মাত্র কিছু দিনের জন্য এবং আমার কৃতকর্মের হিসাব তাঁর নিকট একদিন অবশ্যই দিতে হবে। সময়ের কাছে সবাইকে একদিন আত্মসমর্পন করতে হবে, তাঁর নিকটই একদিন পূর্বের সকল হিসাব বুঝিয়ে দিতে হবে। সময় কাউকেই ক্ষমা করেনি, ক্ষমা করে না অতএব অন্যায় অসত্যের সঙ্গ সর্বদা বর্জনীয়।
হৃদয়- সত্যিই তোমার নিকট তোমাদের দেশের মানুষের সম্পর্কে এমন ধরণের কথা শুনলে বিস্ময়ে হতবাক হতে হয়। কী বিস্ময়কর পরিবর্তন! সত্যিই তো, এমন সত্যনিষ্ঠ, সভ্য, সুশৃঙ্খল, সকল প্রকার উৎকৃষ্ট গুণসম্পন্ন মানুষেরই জীবন দর্শন তথা অন্তরের উপলব্ধি এমনই হওয়ার কথা। আচ্ছা মানুষের এমন আমূল পরিবর্তন নিশ্চয় রাতারাতি সম্ভব হয়নি। তাছাড়া এব্যাপারে তোমাদের কি বিশেষ কোন পরিকল্পনা ছিল?
স্বপ্নিল– না বন্ধু, এমন আমূল বদল তো এক সকালে ঘুম ভেঙে হঠাৎ হয়নি। এটাও একটা দীর্ঘ, ধীরে ধীরে গড়ে ওঠা পথ—অনেক হোঁচট, ভুল, সংশোধন আর ধৈর্যের ফল। পরিকল্পনা ছিল, আর তার চেয়েও বড় কথা ছিল ক্রমাগত চর্চা।
হৃদয়– কেমন পরিকল্পনা? একটু খুলে বলো তো…
স্বপ্নিল– আচ্ছা, খুব সংক্ষেপে কয়েকটা দিক বলি, বুঝতে সুবিধা হবে—
________________________________________
১️⃣ “উদাহরণ” তৈরির পরিকল্পনা
আমাদের বিজ্ঞজনেরা আগে বুঝে নিয়েছিল,
শুধু আইন, শাস্তি, পোস্টার–ব্যানার দিয়ে মানুষ বদলানো যায় না।
তাই প্রথমে লক্ষ্য ছিলঃ
• সমাজে কয়েকটা সত্যিকারের উদাহরণ তৈরি করা
• যারা নিজের জীবনে পাশ করে গেছে, এখন আর নিজের জন্য কিছু চায় না
• তাদেরকে সামনে এনে দেখানোঃ
“দেখো, এমন হয়েও বাঁচা যায়—
কম নিয়ে, সত্যিকারের তৃপ্তিতে।”
এই যে তুমি একটু আগে পড়লে
“কর্মজীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়ক সংগঠন” আর VVIP কার্ড—
ওগুলো আসলে সেই পরিকল্পনারই অংশ।
মানুষ যদি নিজের চোখে সফল কিন্তু সৎ মানুষকে দেখে,
তাহলেই তো বিশ্বাস জন্মায় যে ভালো পথেও পৌঁছানো যায়।
________________________________________
২️⃣ শিক্ষা + চরিত্র–গঠনের ধাপে ধাপে নকশা
আমরা আগে থেকেই ধরে নিয়েছি—
“জ্ঞান আলাদা, চরিত্র আলাদা–
এই দুইটা আলাদা করে শেখালে
বাস্তবে একসাথে কাজ করে না।”
তাই পরিকল্পনা ছিল:
• ছোটবেলা থেকেই
o ধর্মীয় অনুশীলন
o খেলাধুলা
o সংস্কৃতি চর্চা
• এগুলোকে বইয়ের বাইরে আলাদা কিছু না রেখে
শিক্ষার অংশ বানানো
• আর একই সাথে জবাবদিহি–সংস্কৃতি শেখানো
o স্কুলে, ক্লাবে, পরিবারে—
“ভুল করলে মানতে হবে, ঠিক করতে হবে”
এভাবে প্রজন্ম ধরে ধরে মানুষের বিচার–বিবেচনার ভিতটাই বদলাতে শুরু করে।
________________________________________
৩️⃣ জবাবদিহি–ব্যবস্থা আগে, নৈতিকতার কথা পরে
বিজ্ঞজনেরা একটা কড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছিলঃ
“মানুষ ফেরেশতা না–
তাই এমন সিস্টেম বানাও,
যেখানে ভুল করলে গোপন রাখা কঠিন হয়,
আর ঠিক করলে সম্মান পাওয়া সহজ হয়।”
এই জন্যই:
• সাংবাদিক কমিটি
• RMM Vote
• উন্মুক্ত দরপত্র ব্যবস্থা
• মন্ত্রী নির্বাচনেও পরীক্ষা–বক্তৃতা
• সম্পদের স্বচ্ছ হিসাব
• পণ্য গ্রেডিং, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সবখানে তদারকি
এসব আগে দাঁড় করানো হয়েছে।
তারপর ধীরে ধীরে ধর্মীয় আলোচনায়, উপাসনালয়ে,
খেলাধুলা–সংস্কৃতির মঞ্চে—
“কেন সৎ থাকা ভালো”
এই কথাটা সবার মাথায় ঢোকানো হয়েছে।
মানে, নীতি–নৈতিকতার কথা শুধু মুখে না,
সিস্টেমের ভেতরেও লক করে দেওয়া হয়েছে।
________________________________________
৪️⃣ শাস্তির চেয়ে “ফিরে আসার রাস্তা”কে গুরুত্ব
পরিকল্পনার আরেকটা দিক ছিল—
• কেউ ভুল করলে
o শুধু শাস্তি না
o কিভাবে ফিরে আসবে,
সেই পথও খোলা রাখা
• কাউন্সেলিং, পুনর্বাসন,
ধর্মীয় ও মানসিক সহায়তা—
সব মিলিয়ে একটা ফেরার দরজা সবসময় খোলা
এতে ধীরে ধীরে মানুষ শিখেছে—
“ভুল করলে ভয় পেয়ে লুকাতে হবে না,
বরং স্বীকার করলে, ঠিক করার পথ আছে।”
________________________________________
৫️⃣ সময়কে সাথী বানানোর পরিকল্পনা
সবশেষে, আমাদের বিজ্ঞজনেরা প্রথমেই মেনে নিয়েছিল—
“এই পরিবর্তন আমাদের জীবদ্দশায় পুরোপুরি নাও দেখা যেতে পারে,
কিন্তু শুরু না করলে কোন দিনই দেখা যাবে না।”
তাই পরিকল্পনা ছিল:
• ৫ বছর, ১০ বছর, ২০ বছর, ৫০ বছরের লক্ষ্য ধরে
• ছোট ছোট ধাপে কাজ করা
• আর প্রতিটা ধাপের শেষে
o কী বদলাল, কী বদলাল না—
সেটা খোলাখুলি পর্যালোচনা করা
আমাদের সৌভাগ্য,
কিছু প্রজন্ম নিজের কষ্ট সহ্য করে
পরের প্রজন্মের জন্য পথটা একটু একটু করে পরিষ্কার করে গেছে।
আজ যে “সভ্য, সুশৃঙ্খল” মানুষগুলোকে দেখছ,
ওরা আসলে দীর্ঘ সময়ের ধারাবাহিক চেষ্টা + সিস্টেম + উদাহরণ–এর ফল।
________________________________________
হৃদয়– কেমন পরিকল্পনা? একটু খুলে বলো তো…
স্বপ্নিল– আচ্ছা, খুব সংক্ষেপে কয়েকটা দিক বলি, বুঝতে সুবিধা হবে—
________________________________________
১️⃣ “উদাহরণ” তৈরির পরিকল্পনা
আমাদের বিজ্ঞজনেরা আগে বুঝে নিয়েছিল,
শুধু আইন, শাস্তি, পোস্টার–ব্যানার দিয়ে মানুষ বদলানো যায় না।
তাই প্রথমে লক্ষ্য ছিলঃ
• সমাজে কয়েকটা সত্যিকারের উদাহরণ তৈরি করা
• যারা নিজের জীবনে পাশ করে গেছে, এখন আর নিজের জন্য কিছু চায় না
• তাদেরকে সামনে এনে দেখানোঃ
“দেখো, এমন হয়েও বাঁচা যায়—
কম নিয়ে, সত্যিকারের তৃপ্তিতে।”
এই যে তুমি একটু আগে পড়লে
“কর্মজীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়ক সংগঠন” আর VVIP কার্ড—
ওগুলো আসলে সেই পরিকল্পনারই অংশ।
মানুষ যদি নিজের চোখে সফল কিন্তু সৎ মানুষকে দেখে,
তাহলেই তো বিশ্বাস জন্মায় যে ভালো পথেও পৌঁছানো যায়।
________________________________________
২️⃣ শিক্ষা + চরিত্র–গঠনের ধাপে ধাপে নকশা
আমরা আগে থেকেই ধরে নিয়েছি—
“জ্ঞান আলাদা, চরিত্র আলাদা–
এই দুইটা আলাদা করে শেখালে
বাস্তবে একসাথে কাজ করে না।”
তাই পরিকল্পনা ছিল:
• ছোটবেলা থেকেই
o ধর্মীয় অনুশীলন
o খেলাধুলা
o সংস্কৃতি চর্চা
• এগুলোকে বইয়ের বাইরে আলাদা কিছু না রেখে
শিক্ষার অংশ বানানো
• আর একই সাথে জবাবদিহি–সংস্কৃতি শেখানো
o স্কুলে, ক্লাবে, পরিবারে—
“ভুল করলে মানতে হবে, ঠিক করতে হবে”
এভাবে প্রজন্ম ধরে ধরে মানুষের বিচার–বিবেচনার ভিতটাই বদলাতে শুরু করে।
________________________________________
৩️⃣ জবাবদিহি–ব্যবস্থা আগে, নৈতিকতার কথা পরে
বিজ্ঞজনেরা একটা কড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছিলঃ
“মানুষ ফেরেশতা না–
তাই এমন সিস্টেম বানাও,
যেখানে ভুল করলে গোপন রাখা কঠিন হয়,
আর ঠিক করলে সম্মান পাওয়া সহজ হয়।”
এই জন্যই:
• সাংবাদিক কমিটি
• RMM Vote
• উন্মুক্ত দরপত্র ব্যবস্থা
• মন্ত্রী নির্বাচনেও পরীক্ষা–বক্তৃতা
• সম্পদের স্বচ্ছ হিসাব
• পণ্য গ্রেডিং, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সবখানে তদারকি
এসব আগে দাঁড় করানো হয়েছে।
তারপর ধীরে ধীরে ধর্মীয় আলোচনায়, উপাসনালয়ে,
খেলাধুলা–সংস্কৃতির মঞ্চে—
“কেন সৎ থাকা ভালো”
এই কথাটা সবার মাথায় ঢোকানো হয়েছে।
মানে, নীতি–নৈতিকতার কথা শুধু মুখে না,
সিস্টেমের ভেতরেও লক করে দেওয়া হয়েছে।
________________________________________
৪️⃣ শাস্তির চেয়ে “ফিরে আসার রাস্তা”কে গুরুত্ব
পরিকল্পনার আরেকটা দিক ছিল—
• কেউ ভুল করলে
o শুধু শাস্তি না
o কিভাবে ফিরে আসবে,
সেই পথও খোলা রাখা
• কাউন্সেলিং, পুনর্বাসন,
ধর্মীয় ও মানসিক সহায়তা—
সব মিলিয়ে একটা ফেরার দরজা সবসময় খোলা
এতে ধীরে ধীরে মানুষ শিখেছে—
“ভুল করলে ভয় পেয়ে লুকাতে হবে না,
বরং স্বীকার করলে, ঠিক করার পথ আছে।”
________________________________________
৫️⃣ সময়কে সাথী বানানোর পরিকল্পনা
সবশেষে, আমাদের বিজ্ঞজনেরা প্রথমেই মেনে নিয়েছিল—
“এই পরিবর্তন আমাদের জীবদ্দশায় পুরোপুরি নাও দেখা যেতে পারে,
কিন্তু শুরু না করলে কোন দিনই দেখা যাবে না।”
তাই পরিকল্পনা ছিল:
• ৫ বছর, ১০ বছর, ২০ বছর, ৫০ বছরের লক্ষ্য ধরে
• ছোট ছোট ধাপে কাজ করা
• আর প্রতিটা ধাপের শেষে
o কী বদলাল, কী বদলাল না—
সেটা খোলাখুলি পর্যালোচনা করা
আমাদের সৌভাগ্য,
কিছু প্রজন্ম নিজের কষ্ট সহ্য করে
পরের প্রজন্মের জন্য পথটা একটু একটু করে পরিষ্কার করে গেছে।
আজ যে “সভ্য, সুশৃঙ্খল” মানুষগুলোকে দেখছ,
ওরা আসলে দীর্ঘ সময়ের ধারাবাহিক চেষ্টা + সিস্টেম + উদাহরণ–এর ফল।
________________________________________

Comments