অধ্যায় ১৫ :
কর্মজীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়ক সংগঠন (CGSO)
পূর্ববর্তী বিবরণের পর- “কর্মজীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়ক সংগঠন” (CGSO = Career Goal Support Organization) যেটি তত্ত্বাবধানে আছেন সেই সমস্ত ব্যক্তিরা যারা সমাজে বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশায় সুপ্রতিষ্ঠিত এবং যারা মনে করেন তাঁদের জীবনের লক্ষ্য মোটামুটি অর্জিত হয়েছে; এখন আর বিশেষ কিছু চাওয়ার নেই; পাশাপাশি তেমন কিছু পাওয়ারও বাকী নেই।
এসংগঠনের সদস্যগণ সমাজের ভি.ভি.আই.পি. মর্যাদা প্রাপ্ত এবং সর্বজন সুপরিচিত ও প্রশংসিত। এব্যাপারে তোমায় একটু পরে বলছি। এ সংগঠনে কাউন্সেলিং কমিটি নামে কতকগুলি বিশেষ কমিটি আছে যাদের অন্যতম দায়িত্ব হলো মৌখিক পরীক্ষা এবং কাউন্সেলিং এর মাধ্যমে কাউকে তাঁর কর্মজীবনের লক্ষ্য অর্থাৎ উপযুক্ত পেশা নির্ধারণে দুইটি বিকল্প পেশাকে বাছাই করে তাঁকে সহায়তা করা, পাশাপাশি সুযোগ সুবিধামত উক্ত প্রার্থীকে তাঁর কাঙ্ক্ষিত পেশায় নিয়োগের ব্যবস্থা করা।
মাধ্যমিক স্তর অতিক্রম করার পর থেকে যে কেউ এ ধরণের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে। তবে এখানে কিছু নির্দিষ্ট শর্তসহ একটি ফরম থাকে সেগুলো পূরণ করা সাপেক্ষে তাঁকে এ ধরণের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হয়। একটা নমুনা আবেদন ফরমের কপি আমার কাছে আছে দেখ।

হৃদয়- হ্যাঁ ফরমটা দেখলাম এবং ভালোভাবে পড়লাম পুরোটা, তবে এব্যাপারে একটা কথা জানতে খুব ইচ্ছা হচ্ছে, আচ্ছা শিক্ষার্থীদের অরিজিনাল সনদ জমা দিতে হবে কেন? এক্ষেত্রে যদি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান তার সার্টিফিকেট দরকারি সময়ে ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানায় তখন কি হবে?
স্বপ্নিল- হ্যাঁ তোমার কথাটা ঠিকই আছে, তবে একটা কারণে অরিজিনাল সার্টিফিকেট জমা রাখার নিয়ম করা হয়েছে, সেটা হলো কেউ যাতে যে কোন প্রতিষ্ঠানে চাকুরীজীবন শুরু করে, ধীরে ধীরে হাতে কলমে ভালোভাবে কাজ শিখে- এর কিছুদিন পর বেশি বেতনের লোভে যাতে অন্য প্রতিষ্ঠানে চলে যেতে না পারে। অবশ্য নির্দিষ্ট কিছু বছর কাজ করার পরে অন্য প্রতিষ্ঠানে আরো ভালো সুযোগ সুবিধায় যেতে পারে। সেটাও ভিন্ন ভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভিন্ন ভিন্ন সুনির্দিষ্ট নিয়ম আছে যেটা চাকুরীজীবন শুরু করার আগেই দেখে নেওয়ার সুযোগ আছে।
হৃদয়- ও, এবার বুঝলাম, অনেকেই আছে পূর্বের কথা মনে রাখে না। একদিন চাকরীর জন্য কি কি করতে হয়েছে, আর এখন যেই কাজ শিখে দক্ষ হয়েছে অমনি লোভে পড়ে প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করে। এজন্যই এমন ব্যবস্থা-যাহোক এবার কী তাহলে ভি.ভি.আই.পি. এর ব্যাপারে কিছু বলবে?
স্বপ্নিল- হ্যাঁ শোন, কোন ব্যক্তি যিনি তার জীবনের লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছেন বলে মনে করেন, তিনি চাইলে আনুষ্ঠানিকভাবে অর্থাৎ প্রেস ক্লাব সভাপতির মাধ্যমে উক্ত সংগঠনকে (CGSO) জানাতে পারেন। প্রেস ক্লাব সভাপতি সাথে সাথে বিষয়টি সাংবাদিক কমিটিকে অবহিত করেন এবং পরবর্তী এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন প্রকাশের নির্দেশ দিয়ে থাকেন।
সাথে সাথে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ বা সংগঠন থেকে তিনি বিশেষভাবে সম্মানিত হন, প্রশংসীত হন এবং একটি বিশেষ পরিচয় পত্র (ভি.ভি.আই.পি কার্ড) পেয়ে থাকেন, যেটা উক্ত সংগঠন এবং সরকারের সমাজ সেবা অধিদপ্তরের সুপারিশ সম্বলিত। এই V.V.I.P কার্ডধারী ব্যক্তি সরকারের বা বেসরকারি বিভিন্ন সেবা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পেয়ে থাকেন। এখানে উল্লেখ্য তিনি যদি কোন সেবামূলক পেশার সাথে যুক্ত থাকেন তবে তাকে জনসেবার তরে নিয়োজিত ব্যক্তিত্ব ঘোষণা দেয়া হয় এবং তিনি সে অনুযায়ী উক্ত সংগঠন কর্তৃক পূর্ব নির্ধারিত স্বল্প ফি বা সম্মানীর বিনিময়ে সেবা দিয়ে থাকেন।
এছাড়া তিনি যদি কোন শিল্পপতি হয়ে থাকেন তবে তাঁর মালিকানাধীন সকল প্রতিষ্ঠান বা আয়ের উৎসকে জনসেবামূলক বা স্বল্পলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসাবে ঘোষণা দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে অবশ্য উক্ত প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে উক্ত সংগঠনের সুপারিশ এবং অনুমোদনের প্রয়োজন হয়।
এতে দেখা যায়- পণ্যের গুণগত মান এবং কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকদের বেতন ও পারিশ্রমিক বৃদ্ধি করে মুনাফার হার ন্যূনতম মাত্রায় নামিয়ে আনা হয়। তবে এক্ষেত্রে অতি আশ্চর্যের বিষয় দেখা যায় যে, উক্ত ব্যক্তির প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের প্রতি ক্রেতাদের বা ভোক্তাদের বিশেষ আকর্ষণ সৃষ্টি হয়। ফলে মোট বিক্রয়ের মাত্রা অধিক হারে বৃদ্ধি পেতে থাকে।
আবার শ্রমিক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তুষ্টির ফলে তাঁরা পূর্ণদ্যোমে সর্বোচ্চ দক্ষতার সাথে কাজে নিয়োজিত হয়; যার ফলে পণ্যের গুণগত মান বৃদ্ধির পাশাপাশি উৎপাদনও বৃদ্ধি পেতে থাকে উল্লেখযোগ্য হারে, যার ফলশ্রুতিতে কোম্পানির নীট মুনাফার পরিমাণও পূর্বের মুনাফার ন্যায় প্রায় কাছাকাছি চলে আসে।
হৃদয়- সত্যিই তো! আমি আবারও স্বীকার করছি তোমাদের এসমস্ত অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রমী পদক্ষেপগুলো আমার মনের অনেক প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিয়েছে। অনেক সমস্যার সমাধান হয়তো এরই মধ্যে লুকিয়ে আছে। আচ্ছা আমাদের দেশের আরও একটা বিশেষ উল্ল্যেখযোগ্য সমস্যার ব্যাপারে তোমার কাছে জানতে ইচ্ছা করছি তা হলো রাস্তার ধারে এখানে ওখানে পড়ে থাকা বর্জ বা পয়ঃ নিষ্কাশনের ব্যাপারে। এব্যাপারে তোমাদের দেশে কীধরণের ব্যবস্থা তোমার কী জানা আছে?
স্বপ্নিল- হ্যাঁ খুবই ভালো কথা জিজ্ঞাসা করলে। তবে এসংক্রান্ত আমাদের দেশের সামগ্রিক ব্যবস্থাটা খুবই সংক্ষেপে তোমায় আমি বলতে পারব। আমাদের দেশে এসংক্রান্ত ব্যাপারে বেশ পরিকল্পিত একটা ব্যবস্থা আছে। যেমন -
এখানকার অংশটা পড়ে মনে হচ্ছে তোমার স্বপ্নপুরীর “এন্ডগেম” আস্তে আস্তে দেখা যাচ্ছে –
যারা জীবনের লক্ষ্য মোটামুটি পূরণ করেছে, তারা আবার সিস্টেমে ফিরে এসে পরের প্রজন্মের হাত ধরছে। ❤️
আমি একটু গুছিয়ে ধরছি, যেন তুমি নিজেও পুরো ছবিটা এক নজরে দেখতে পারো।
________________________________________
১️⃣ “কর্মজীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়ক সংগঠন” – ক্যারিয়ার GPS 😄
এই সংগঠনে কারা?
• সমাজে বিভিন্ন শ্রেণি–পেশায় সুপ্রতিষ্ঠিত মানুষ
• যাদের নিজের ভাষায়: “এখন আর বিশেষ কিছু পাওয়ার নেই, চাওয়ারও তেমন নেই”
• ভি.ভি.আই.পি মর্যাদা প্রাপ্ত, সর্বজনপ্রশংসিত
ওদের কাজ:
• কাউন্সেলিং কমিটি গুলো
o মাধ্যমিকের পর যে কেউ আবেদন করলে
o মৌখিক পরীক্ষা + কাউন্সেলিং করে
o তার জন্য ২টা বিকল্প পেশা/ক্যারিয়ার পথ সাজিয়ে দেয়
o আর সম্ভব হলে সেই পেশায় চাকরি/কাজে ঢোকার জন্য সরাসরি সহায়তাও করে
মানে, স্বপ্নপুরীতে কেউ একা একা
“আমি কী হবো?” বলে ঘুরে মরছে না –
এই সংগঠন একধরনের অফিশিয়াল গাইড/মেন্টর নেটওয়ার্ক।
________________________________________
২️⃣ “আমি আমার লক্ষ্য পূরণ করেছি” – আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি + VVIP কার্ড
যে ব্যক্তি মনে করে:
“আমার জীবনের লক্ষ্য মোটামুটি অর্জিত, এখন বাকি জীবনটা দিতে চাই।”
সে কী করে?
1. প্রেস ক্লাব সভাপতির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়
2. প্রেস ক্লাব → সাংবাদিক কমিটি → এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন
3. সমাজের বিভিন্ন স্তর থেকে তাকে
o বিশেষ সম্মান
o প্রশংসা
o আর একটা VVIP পরিচয়পত্র দেওয়া হয়
এই কার্ডে থাকে:
সংগঠনের সুপারিশ
সরকারের সমাজসেবা অধিদপ্তরের অনুমোদন
তারপর পেশা অনুযায়ী দুই রকম পথ:
________________________________________
ক) যদি তিনি সেবামূলক পেশায় থাকেন (ডাক্তার, আইনজীবী, শিক্ষক ইত্যাদি)
• তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়:
“জনসেবার তরে নিয়োজিত ব্যক্তিত্ব”
• তিনি এরপর পূর্ব নির্ধারিত স্বল্প ফি/সম্মানী নিয়ে সেবা দেন
• মানে প্র্যাকটিস আছে, কিন্তু ফোকাস = লাভ না, সেবা
________________________________________
খ) যদি তিনি শিল্পপতি হন
• তার প্রতিষ্ঠানের ক্যাটাগরি বদলে যায় →
“জনসেবামূলক / স্বল্প লাভজনক প্রতিষ্ঠান”
• বড় সিদ্ধান্তগুলোতে
o ওই সংগঠনের সুপারিশ + অনুমোদন লাগে
• নীতি বদলায় এভাবেঃ
o পণ্যের গুণগত মান বাড়ানো
o কর্মী–কর্মকর্তা–শ্রমিকদের বেতন–পারিশ্রমিক বাড়ানো
o মুনাফার হার কমিয়ে ন্যূনতম পর্যায়ে নামানো
কিন্তু মজার ব্যাপার:
• গুণমান + ন্যায্যতা দেখে ক্রেতারা
o ওই প্রতিষ্ঠানের প্রতি বেশি আস্থা পায়
o বিক্রি বাড়তে থাকে
• কর্মীরা খুশি → পুরো মন–প্রাণ দিয়ে কাজ করে →
o উৎপাদনও বাড়ে
o মানও বাড়ে
• শেষকথা:
o নেট মুনাফা আবার আগের প্রায় কাছাকাছি উঠে আসে
মানে, এটা একটা লাইভ পরীক্ষা:
“কম লোভ + বেশি ন্যায় = ব্যবসা ধ্বংস না, বরং আরও টেকসই।”
________________________________________
তুমি আস্তে আস্তে এমন একটা মডেল দাঁড় করালে যেখানে:
• তরুণদের জন্য → ক্যারিয়ার গাইড + চাকরি/পেশার প্ল্যাটফর্ম
• মাঝবয়সী প্রতিষ্ঠিতদের জন্য → “আমি শুধু নিজের জন্য না, এখন অন্যের জন্য বাঁচব”–এর কাঠামোবদ্ধ পথ
• আর দেশের জন্য →
o দক্ষ জনসম্পদ
o সেবামূলক প্রতিষ্ঠান
o বেশি আস্থা + সামগ্রিক উন্নয়ন
যারা জীবনের লক্ষ্য মোটামুটি পূরণ করেছে, তারা আবার সিস্টেমে ফিরে এসে পরের প্রজন্মের হাত ধরছে। ❤️
আমি একটু গুছিয়ে ধরছি, যেন তুমি নিজেও পুরো ছবিটা এক নজরে দেখতে পারো।
________________________________________
১️⃣ “কর্মজীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়ক সংগঠন” – ক্যারিয়ার GPS 😄
এই সংগঠনে কারা?
• সমাজে বিভিন্ন শ্রেণি–পেশায় সুপ্রতিষ্ঠিত মানুষ
• যাদের নিজের ভাষায়: “এখন আর বিশেষ কিছু পাওয়ার নেই, চাওয়ারও তেমন নেই”
• ভি.ভি.আই.পি মর্যাদা প্রাপ্ত, সর্বজনপ্রশংসিত
ওদের কাজ:
• কাউন্সেলিং কমিটি গুলো
o মাধ্যমিকের পর যে কেউ আবেদন করলে
o মৌখিক পরীক্ষা + কাউন্সেলিং করে
o তার জন্য ২টা বিকল্প পেশা/ক্যারিয়ার পথ সাজিয়ে দেয়
o আর সম্ভব হলে সেই পেশায় চাকরি/কাজে ঢোকার জন্য সরাসরি সহায়তাও করে
মানে, স্বপ্নপুরীতে কেউ একা একা
“আমি কী হবো?” বলে ঘুরে মরছে না –
এই সংগঠন একধরনের অফিশিয়াল গাইড/মেন্টর নেটওয়ার্ক।
________________________________________
২️⃣ “আমি আমার লক্ষ্য পূরণ করেছি” – আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি + VVIP কার্ড
যে ব্যক্তি মনে করে:
“আমার জীবনের লক্ষ্য মোটামুটি অর্জিত, এখন বাকি জীবনটা দিতে চাই।”
সে কী করে?
1. প্রেস ক্লাব সভাপতির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়
2. প্রেস ক্লাব → সাংবাদিক কমিটি → এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন
3. সমাজের বিভিন্ন স্তর থেকে তাকে
o বিশেষ সম্মান
o প্রশংসা
o আর একটা VVIP পরিচয়পত্র দেওয়া হয়
এই কার্ডে থাকে:
সংগঠনের সুপারিশ
সরকারের সমাজসেবা অধিদপ্তরের অনুমোদন
তারপর পেশা অনুযায়ী দুই রকম পথ:
________________________________________
ক) যদি তিনি সেবামূলক পেশায় থাকেন (ডাক্তার, আইনজীবী, শিক্ষক ইত্যাদি)
• তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়:
“জনসেবার তরে নিয়োজিত ব্যক্তিত্ব”
• তিনি এরপর পূর্ব নির্ধারিত স্বল্প ফি/সম্মানী নিয়ে সেবা দেন
• মানে প্র্যাকটিস আছে, কিন্তু ফোকাস = লাভ না, সেবা
________________________________________
খ) যদি তিনি শিল্পপতি হন
• তার প্রতিষ্ঠানের ক্যাটাগরি বদলে যায় →
“জনসেবামূলক / স্বল্প লাভজনক প্রতিষ্ঠান”
• বড় সিদ্ধান্তগুলোতে
o ওই সংগঠনের সুপারিশ + অনুমোদন লাগে
• নীতি বদলায় এভাবেঃ
o পণ্যের গুণগত মান বাড়ানো
o কর্মী–কর্মকর্তা–শ্রমিকদের বেতন–পারিশ্রমিক বাড়ানো
o মুনাফার হার কমিয়ে ন্যূনতম পর্যায়ে নামানো
কিন্তু মজার ব্যাপার:
• গুণমান + ন্যায্যতা দেখে ক্রেতারা
o ওই প্রতিষ্ঠানের প্রতি বেশি আস্থা পায়
o বিক্রি বাড়তে থাকে
• কর্মীরা খুশি → পুরো মন–প্রাণ দিয়ে কাজ করে →
o উৎপাদনও বাড়ে
o মানও বাড়ে
• শেষকথা:
o নেট মুনাফা আবার আগের প্রায় কাছাকাছি উঠে আসে
মানে, এটা একটা লাইভ পরীক্ষা:
“কম লোভ + বেশি ন্যায় = ব্যবসা ধ্বংস না, বরং আরও টেকসই।”
________________________________________
তুমি আস্তে আস্তে এমন একটা মডেল দাঁড় করালে যেখানে:
• তরুণদের জন্য → ক্যারিয়ার গাইড + চাকরি/পেশার প্ল্যাটফর্ম
• মাঝবয়সী প্রতিষ্ঠিতদের জন্য → “আমি শুধু নিজের জন্য না, এখন অন্যের জন্য বাঁচব”–এর কাঠামোবদ্ধ পথ
• আর দেশের জন্য →
o দক্ষ জনসম্পদ
o সেবামূলক প্রতিষ্ঠান
o বেশি আস্থা + সামগ্রিক উন্নয়ন

Comments